ঢাকা , শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫ , ১৫ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ , ই-পেপার
সংবাদ শিরোনাম
বিচার, সংস্কার ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের রোডম্যাপ চাই- রাশেদ প্রধান প্রকৌশলীদের অধিকার রক্ষায় আইইবির বিবৃতি ৩ মাস পরও খুলছে না রহস্যের জট হাওর মহাপরিকল্পনার খসড়া প্রতিবেদন প্রাথমিক শিক্ষকদের মহাসমাবেশ আজ মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষে বলা কি সন্ত্রাসী কাজ, প্রশ্ন সাংবাদিক পান্নার মব সংস্কৃতি দমনে সরকার ব্যর্থ হলে ভয়াবহ অবস্থার সৃষ্টি হবে- ড. কামাল হোসেন নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হবে- আমির খসরু বরখাস্ত আদেশ প্রত্যাহার না হলে আন্দোলনে যাবে পল্লীবিদ্যুৎ কর্মরতরা সাভারে অপহৃত ১০ মাসের শিশু উদ্ধার, গ্রেফতার অপহরণকারী সাপের কামড়ে মৃত্যু বাড়ছে, প্রতিষেধক তৈরির উদ্যোগ গণঅধিকার পরিষদের শতাধিক নেতাকর্মীর পদত্যাগ নিশ্চিত হচ্ছে বন্যপ্রাণীর নিরাপদ আবাস নারায়ণগঞ্জে আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত প্যানেল জয়ী মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার নিয়ে জটিলতা কাটছে না গ্রামীণ ব্যাংকের সাবেক কর্মকর্তার ৮ বছরের কারাদণ্ড যশোরে পৃথক অভিযানে ৩৬টি সোনার বারসহ গ্রেফতার ৩ বিএসএফ মহাপরিচালকে ক্ষমা চাইতে হবে: সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদ আরও ৪৩২ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত ছয় মাসে ১.২৫ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ প্রস্তাব পেয়েছে বাংলাদেশ

আধুনিকতার ছোঁয়ায় বিলুপ্তির পথে মাটির ঘর

  • আপলোড সময় : ২৯-০৬-২০২৫ ০৯:৫৪:১৮ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৯-০৬-২০২৫ ০৯:৫৪:১৮ অপরাহ্ন
আধুনিকতার ছোঁয়ায় বিলুপ্তির পথে মাটির ঘর
মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি
দেশের তৃতীয় বৃহত্তম শাল-গজারির বন টাঙ্গাইলের মধুপুর গড়াঞ্চল। এক সময় মধুপুর উপজেলার বনাঞ্চলসহ পাশের ধনবাড়ী উপজেলায় এলাকাভেদে মাটির ঘর তৈরি ছিল বাসস্থানের একমাত্র অবলম্বন। শীত গরমে ঘরগুলো আরামদায়ক বাসস্থান। দৃষ্টিনন্দন ঘরগুলো ঐতিহ্যও বহন করে। টাঙ্গাইলের বৃহত্তর মধুপুর উপজেলায় বিশেষ করে পাহাড়ী অঞ্চলে মাটির ঘর তৈরী হতো। আজ আধুনিকতার ছোঁয়ায় সেই পুরনো ঐতিহ্যের মাটির ঘর আজ বিলুপ্তের পথে।
আর্থিক সচ্ছলতা ও উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে মাটির ঘর নির্মাণে আগ্রহ নেই মানুষের। এক সময় উপজেলার পাহাড়ি এলাকার ধনী গরিব প্রায় প্রতিটি বাড়িতে মাটির ঘর ছিল।
সরেজমিন ঘুরে স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, বৃহত্তম গড়াঞ্চল পহাড়ি বন এলাকা মধুপুর উপজেলা ভাগ হয়ে ২০০৬ সালে দুইটি উপজেলায় বিভক্ত হয়। ধনবাড়ী নামে আরেক নতুন উপজেলা গঠিত হয়। বহত্তর মধুপুর উপজেলা দুইটি উপজেলায় বিভক্ত হলেও ধনবাড়ী উপজেলার কিছু অংশ পাহাড়ী এলাকা হওয়ায় এখনো সে অঞ্চলে চোখে পড়ে পুরনো মাটির ঘর। তবে বর্তমানে বিলুপ্তপ্রায়। এ অঞ্চলের কৃষাণ-কৃষাণী ও তাদের ছেলে-মেয়েরা মিলেই অল্প কয়েক দিনেই তৈরি করতেন। মাটিতে কোদাল দিয়ে ভালো করে গুঁড়িয়ে নেওয়া হতো। তারপর পরিমাণ মতো পানি মিশিয়ে থকথকে কাদা বানাতেন। সেই মাটি দিয়েই হয় ঘর। অল্প-অল্প করে কাদা মাটি বসিয়ে ৭ ফুট থেকে ৮ ফুট উচ্চতার পূর্ণাঙ্গ ঘর তৈরি করতে সময় লাগতো মাত্র মাস খানেক। সম্পূর্ণ হলে তার উপর ছাউনি হিসেবে ব্যবহার হয় ধানের খড়। এমনভাবে ছাউনি  দেয়া হয় যেন ঝড়-বৃষ্টি কোন আঘাতেই তেমন একটা ক্ষতি করতে না পারে। কাল পরিক্রমায় বর্তমানে অর্থনৈতিক স্বচ্ছল পরিবারের লোকজন মাটির দেয়াল দিয়ে উপরে টিনের চালা দেন তারা। আবার ধনীদের বাড়িতে থাকতো বিভিন্ন নকশা করা দুই তালা ঘর। কারো কারো বাড়িতে শত বছরের মাটির তৈরি দু‘তলা বাড়ি লক্ষ্য করা যায়।
মধুপুরের কুড়াগাছা এলাকার ফজলুল হক জানান, তাদের বাড়িতে দুতলাসহ একাধিক মাটির ঘর ছিল। আর্থিক সচ্ছলতা এবং এলাকায় ইট ভাঁটির কারণে বাপ-দাদার আমলের দোতলা মাটির ঘরটিও ভেঙে পাকাঘর তৈরি করেছেন। তবে তাদের এলাকায় এখনও কিছু কিছু বাড়িতে মাটির ঘর রয়েছে।
 

নিউজটি আপডেট করেছেন : Dainik Janata

কমেন্ট বক্স
প্রতিবেদকের তথ্য